#ইউয়েফা_চ্যাম্পিয়নস_লিগ_২০১৭_১৮_ফাইনাল_ম্যাচ_কাউন্টডাউন_পোস্ট #৭_রোনালদো

" ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো "
এতটুকুই কি যথেষ্ট নয়?? তাকে নিয়ে কি আরো কিছু লেখার প্রয়োজন আছে?? তার পুরো ক্যারিয়ারে এমন কিছু কি বাকি আছে, যা তিনি করে দেখাননি??
সে তার পুরো ক্যারিয়ারে কি কি করেছে এবং এখন করছে তা বলা শুরু করলে শেষ করতে কয়েক হাজার শব্দ লাগবে। তাই সংক্ষেপে বলছি তার স্বর্ণালী ক্যারিয়ারের বর্ণনা :-
উনার মূল নাম আসলে রোনালদো না। তার মূল নাম সান্তোস আভেইরো। আর পুরো নাম " ক্রিশ্চিয়ানো দস সান্তোস আভেইরো। "
রোনালদো তার পুরো ক্যারিয়ারে ২৫টি ট্রফি জয় করেছেন। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, ৫টি লিগ শিরোপা, ৪টি চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা ও একটি উয়েফা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা।
ইউরোপিয়ান সেরা ৫ লীগের মধ্যে সর্বোচ্চ (লিগে) গোলদাতা রোনালদো, ৩৯৩ গোল। তার চ্যাম্পিয়নস লিগে গোলসংখ্যা ১২০ টি ও উয়েফা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে গোল ৯ টি। এর পাশাপাশি চ্যাম্পিয়নস লিগে তার এসিস্ট ৩৪টি এবং ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে এসিস্ট ৮টি।
উল্লেখ্য, চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোল ও এসিস্টদাতাও রোনালদো।
দেশ ও ক্লাবের হয়ে পুরো ক্যারিয়ারে তিনি ৬৫০ এর অধিক গোল করেছেন।
চলুন এবার দেখে নেই রোনালদোর সকল দলীয় অর্জনসমূহ :-
• স্পোর্টিং সিপি -
Supertaça Cândido de Oliveira (২০০২)
• ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড -
প্রিমিয়ার লিগ - ৩ বার (২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮, ২০০৮-০৯)
এফএ কাপ - ১ বার (২০০৩-০৪)
ফুটবল লিগ কাপ - ২ বার (২০০৫-০৬, ২০০৮-০৯)
এফএ কমিউনিটি শিল্ড - ১ বার (২০০৭)
চ্যাম্পিয়নস লিগ - ১ বার (২০০৭-০৮)
ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ - ১ বার (২০০৮)
• রিয়াল মাদ্রিদ -
লা-লিগা - ২ বার (২০১১-১২, ২০১৬-১৭)
কোপা দেল রে - ২ বার (২০১০-১১, ২০১৩-১৪)
সুপারকাপ দ্যা স্পেন - ২ বার (২০১২, ২০১৭)
চ্যাম্পিয়নস লিগ - ৩ বার (২০১৩-১৪, ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭)
উয়েফা সুপার কাপ - ২ বার (২০১৪, ২০১৭)
ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ - ৩ বার (২০১৪, ২০১৬, ২০১৭)
• পর্তুগাল -
উয়েফা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ - ১ বার (২০১৬)
** ব্যক্তিগত অর্জন -
ব্যালন ডি অর - ৫ বার (২০০৮, ২০১৩, ২০১৪, ২০১৬, ২০১৭)
ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার - ১ বার (২০০৮)
ফিফাপ্রো ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার - ১ বার (২০০৮)
দ্যা বেস্ট ফিফা ম্যানস প্লেয়ার - ২ বার (২০১৬,২০১৭)
উয়েফা বেস্ট প্লেয়ার (ইউরোপ) - ৩ বার (২০১৪, ২০১৬, ২০১৭)
উয়েফা ক্লাব ফুটবলার অফ দ্যা ইয়ার - ১ বার (২০০৭-০৮)
ওয়ার্ল্ড সকার প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার - ৫ বার (২০০৮, ২০১৩, ২০১৪, ২০১৬, ২০১৭)
ফিফাপ্রো স্পেশাল ইয়াং প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার - ২ বার (২০০৩-০৪, ২০০৪-০৫)
পিএফএ পর্তুগিজ প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার - ২ বার (২০১৬, ২০১৭)
ফিফা পুসকাস এওয়ার্ড - ১ বার (২০০৯)
ফিফাপ্রো ওয়ার্ল্ড ইলিভেন প্লেয়ার - ১১ বার (২০০৭-২০১৭)
ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ গোল্ডেন বুট - ২ বার (২০১৬, ২০১৭)
ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ গোল্ডেন বল - ১ বার (২০১৬)
ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ সিলভার বল - ২ বার (২০০৮, ২০১৪)
ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ টপ এসিস্ট - ১ বার (২০১৪)
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ বেস্ট ফরোয়ার্ড - ২ বার (২০০৭-০৮, ২০১৬-১৭)
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ স্কোয়াড অফ দ্যা সিজন - ৪ বার (২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭)
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ টিম অফ দ্যা গ্রুপ স্টেজ - ১ বার (২০১৫-১৬)
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ টপ স্কোরার - ৬ বার (২০০৭-০৮, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭)
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ টপ এসিস্টাদাতা - ১ বার (২০১৩-১৪)
উয়েফা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ টিম অফ দ্যা টুর্নামেন্ট - ৩ বার (২০০৪, ২০১২, ২০১৬)
উয়েফা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ টপ স্কোরার - ১ বার (২০১২)
উয়েফা ইউরো টপ এসিস্টদাতা - ১ বার (২০০৮)
উয়েফা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ সিলভার বুট - ১ বার (২০১৬)
উয়েফা ইউরো অল টাইম বেস্ট ইলিভেন প্লেয়ার।
স্যার ম্যাট বাসবি প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার - ৩ বার (২০০৩-০৪, ২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮)
প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড - ২ বার (২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮)
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড গোল অফ দ্যা সিজন - ১ বার (২০০৮-০৯)
পিএফএ ইয়াং প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার - ১ বার (২০০৬-০৭)
পিএফএ প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার - ২ বার (২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮)
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ প্লেয়ার অফ দ্যা সিজন - ২ বার (২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮)
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ প্লেয়ার অফ দ্যা মান্থ - ৪ বার (নভেম্বর ২০০৬, ডিসেম্বর ২০০৬, জানুয়ারি ২০০৮, মার্চ ২০০৮)
পিএফএ প্রিমিয়ার লিগ টিম অফ দ্যা ইয়ার - ৪ বার (২০০৫-০৬, ২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮, ২০০৮-০৯)
প্রিমিয়ার লিগ গোল্ডেন বুট - ১ বার (২০০৭-০৮)
প্রিমিয়ার লিগ টপ এসিস্টদাতা - ১ বার (২০০৬-০৭)
এফএ কাপ সর্বোচ্চ গোলদাতা - ১ বার (২০০৪-০৫)
প্রিমিয়ার লিগ ২০ সিজন এওয়ার্ড ফ্যান্টাসি টিম - এক্সপার্টস।
লা-লিগা সেরা প্লেয়ার - ১ বার (২০১৩-১৪)
লা-লিগা সেরা ফরোয়ার্ড - ১ বার (২০১৩-১৪)
লা-লিগা সেরা গোল - ১ বার (২০১৩-১৪)
লা-লিগা প্লেয়ার অফ দ্যা মান্থ - ৩ বার (নভেম্বর ২০১৩, মে ২০১৫, মে ২০১৭)
লা-কিগা টিম অফ দ্যা সিজন - ৩ বার (২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬)
উয়েফা লা-লিগা টিম অফ দ্যা সিজন - ২ বার (২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭)
লা-লিগা সর্বোচ্চ গোলদাতা - ৩ বার (২০১০-১১, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫)
কোপা দেল রে সর্বোচ্চ গোলদাতা - ১ বার (২০১০-১১)
ব্যালন ডি অর - ৫ বার (২০০৮, ২০১৩, ২০১৪, ২০১৬, ২০১৭)
ওয়ার্ল্ড সকার প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার - ৫ বার (২০০৮, ২০১৩, ২০১৪, ২০১৬, ২০১৭)
আইএফএফএইচএস ওয়ার্ল্ড সর্বোচ্চ গোলদাতা - ৪ বার (২০১৩, ২০১৪, ২০১৬, ২০১৭)
ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্লেয়ার - ২০০৯-১৩
ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি - ৪ বার।
ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা - ৭ গোল।
ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপে দুটি গোল্ডেন বুট।
ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ সিলভার বল - ৩ বার।
ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনালে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ - ২ বার।
ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ গোল - ৪ টি।
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে ৩টি ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ টুর্নামেন্টে গোল। (মেসির সাথে যথাক্রমে)
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপের ফাইনালে হ্যাটট্রিক (পেলের সাথে যথাক্রমে)।
একটি ক্যালেন্ডার ইয়ারে সর্বাধিক ইন্টারন্যাশনাল গোল - ৩২ টি।
প্রথম ফুটবলার হিসেবে লিগে টানা ২ বার ৪০ গোল করার রেকর্ড।
প্রথম প্লেয়ার হিসেবে অফিসিয়াল টাইমের প্রতিটি মিনিটে গোল করার রেকর্ড।
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে দুটি ক্লাবের হয়ে সম্ভাব্য সকল দলীয় ও ব্যক্তিগত ট্রফি জয়। যেমন, লিগ টাইটেল, ডমেস্টিক কাপ, ডমেস্টিক সুপার কাপ, চ্যাম্পিয়নস লিগ, ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ, লিগের প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার, গোল্ডেন বুট ও ব্যালন ডি অর।
সবচেয়ে বেশিবার ফিফাপ্রো একাদশে জায়গা পাওয়া - ১১ বার। (মেসির সাথে যথাক্রমে)
প্রথম এবং একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে ফিফাপ্রো একাদশে দুটি ক্লাবের জার্সিতে নাম লেখানো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও রিয়াল মাদ্রিদ)।
ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি লাইক পাওয়া মানুষ হিসেবে রেকর্ড - ২০১৫।
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে ৭টি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে গোল করার বিশ্বরেকর্ড। ৪টি ইউরো (২০০৪,২০০৮,২০১২ ও ২০১৬) এবং ৩টি বিশ্বকাপ (২০০৬,২০১০ ও ২০১৪)।
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে টানা ৬ বার এক সিজনে ৫০ গোল বা তার অধিক গোল করার রেকর্ড।
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে এক ক্যালেন্ডার ইয়ারে টানা ৪ বার ৬০ গোল বা তার অধিক গোল করার রেকর্ড।
ইউরোপের সেরা ৬ লিগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গোল - ৩৯৪।
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ স্টেজের প্রতিটি ম্যাচে গোল (২০১৭-১৮)।
উয়েফার সকল প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক গোল করার রেকর্ড - ১৫২ গোল।
প্রথম প্লেয়ার হিসেবে ইউরোপিয়ান ফুটবলে ১০০ গোলের মাইলফলক অর্জন (ক্লাব)।
প্রথম প্লেয়ার হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে ১০০ গোলের মাইলফলক অর্জন।
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা ও এসিস্টদাতা - ১২০ ও ৩৪।
চ্যাম্পিয়নস লিগের এক সিজনে সর্বাধিক গোল করার রেকর্ড - ১৭ গোল (২০১৩-১৪)।
 চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ স্টেজে সর্বাধিক গোল করার রেকর্ড - ১১ গোল।
চ্যাম্পিয়নস লিগের নক-আউট পর্বে সর্বাধিক গোল - ৬০ টি।
একটি সিজনে চ্যাম্পিয়নস লিগের নক-আউট পর্বে সর্বাধিক গোল - ১০টি ২০১৬-১৭ সিজনে।
একটি ক্যালেন্ডার ইয়ারে চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বাধিক গোল - ১৯টি।
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগের ৩টি ভিন্ন ভিন্ন সিজনে ১৫ গোল বা তার বেশি গোল করার রেকর্ড (২০১৩-১৪, ২০১৫-১৬ ও ২০১৭-১৮)।
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগের একটি সিজনে ৩টি হ্যাটট্রিক করার রেকর্ড (২০১৫-১৬)।
প্রথম ও একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগের নক-আউট পর্বে ব্যাক টু ব্যাক হ্যাটট্রিক।
চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ হ্যাটট্রিক - ৭টি (যথাক্রমে মেসির সাথে)।
টানা ৫বার চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার রেকর্ড (২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭)।
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা ৭ সিজন ১০+ গোল করার রেকর্ড।
চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে সর্বাধিক গোল - ২৩ গোল।
চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালে সর্বাধিক গোল - ১৩ গোল।
চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে পেনাল্টিতে সর্বাধিক গোল - ১৪টি।
চ্যাম্পিয়নস লিগে একটি প্রতিপক্ষের বিপক্ষেই ১০ গোল করার রেকর্ড (জুভেন্টাস)।
চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা ১২ ম্যাচে গোল করার বিশ্বরেকর্ড।
প্রথম প্লেয়ার হিসেবে ভিন্ন দুটি ক্লাবের হয়ে লিগ গোকডেন বুট জয় (ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ১বার ও লা-লিগা ৩বার)।
পর্তুগালের হয়ে উয়েফা ইউরোতে সর্বাধিক গোল - ২৯টি (কোয়ালিফায়ার ম্যাচ সহ)।
উয়েফা ইউরোতে সর্বাধিক গোল - ৯টি (প্লাতিনির সাথে যথাক্রমে)।
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে ৪টি ভিন্ন ভিন্ন ইউরোতে গোল। (২০০৪,২০০৮,২০১২ ও ২০১৬)
উয়েফা ইউরোতে ২বার ৩ গোল করার রেকর্ড (২০১২ ও ২০১৬)।
উয়েফা ইউরোতে সর্বোচ্চবার হেডে গোল - ৫টি।
উয়েফা ইউরোতে সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ড - ২০টি।
উয়েফা ইউরো ও ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার মিলিয়ে ৫০ গোল করার রেকর্ড (জাতীয় দল)।
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে দুটি টিমের হয়ে গোল ও দুটি ফাইনালে জয়ী টিমের হয়ে গোল - ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড (২০০৭-০৮) ও রিয়াল মাদ্রিদ (২০১৩-১৪)।
চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি এওয়ে ম্যাচে গোল করার রেকর্ড - ৫৪ গোল।
সবচেয়ে বেশিবার ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট - ৪ বার (যথাক্রমে মেসির সাথে)।
সর্বাধিক উয়েফা টিম অফ দ্যা ইয়ার - ১২ বার।
ধারাবাহিকভাবে ১১ বার উয়েফা টিম অফ দ্যা ইয়ারে জায়গা করে নেয়া (২০০৭-২০১৭)।
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে উয়েফা টিম অফ দ্যা ইয়ারে একাধিক পজিশনে জায়গা করে নেয়া।
দ্রুততম প্লেয়ার হিসেবে একটি ক্লাবের হয়ে ৩৫০টি গোল করার রেকর্ড (৩৩৫ ম্যাচে)।
লা-লিগায় সর্বোচ্চবার হ্যাটট্রিক - ৩৩বার।
লা-লিগায় সর্বোচ্চ পেনাল্টি গোল - ৬১টি।
দ্রুততম প্লেয়ার হিসেবে লা-লিগায় ১৫০, ২০০ ও ৩০০ টি গোল করার রেকর্ড। (যথাক্রমে ১৪০, ১৭৮ ও ২৮৬ টি ম্যাচে)
মাদ্রিদ ডার্বির সর্বোচ্চ গোলদাতা - ১৮টি।
প্রথম প্লেয়ার হিসেবে টানা ৬টি এল ক্লাসিকোতে গোল করার রেকর্ড।
লা-লিগায় গোলের দিক দিয়ে সবচেয়ে ভাল শুরু (প্রথম ৮ ম্যাচে ১৫ গোল)।
দ্রততম প্লেয়ার হিসেবে লা-লিগায় এক সিজনে ২০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়া (১২ ম্যাচে)।
একমাত্র প্লেয়ার হিসেবে টানা ৬ সিজনে লা-লিগায় ৩০+ গোল করার রেকর্ড।
লা-লিগায় এক সিজনে সর্বাধিক টিমের বিপক্ষে গোল করার রেকর্ড - ১৯ টিম, ২০১২-১৩ সিজনে (যথাক্রমে রোনালদো লিমা ও মেসির সাথে)।
লা-লিগার একটি সিজনে ৮টি হ্যাটট্রিক করার রেকর্ড (যথাক্রমে মেসির সাথে)।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ বার প্লেয়ার অফ দ্যা সিজন জয় - ২ বার (যথাক্রমে ভিদিচ ও হেনরির সাথে)।
রিয়াল মাদ্রিদের সর্বোচ্চ গোলদাতা - ৪৩৮ গোল।
রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে লা-লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বাধিক গোল। যথাক্রমে ৩০১ ও ১০২ গোল। পাশাপাশি সর্বাধিক এসিস্ট। যথাক্রমে ৮৪ ও ২৩টি।
মাদ্রিদের হয়ে দ্রুততম ৫০ লিগ গোল, ১০০ লিগ গোল, ২০০ অফিসিয়াল গোল, ২৫০ অফিসিয়াল গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার রেকর্ড।
মাদ্রিদের হয়ে লিগে টানা ৭ ম্যাচে গোল করে ১৫ গোল করার রেকর্ড।
মাদ্রিদের হয়ে লিগে টানা ৮ ম্যাচে গোল করার রেকর্ড।
** এমন স্বর্ণালি ক্যারিয়ারের জন্যেই আমি রোনালদোকে ডাকি ক্রিশ্চিয়ানো বিশ্বসেরা রোনালদো। ♥♥

Comments